বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

জয় মা তাঁরা, জয় জয় মা তাঁরা



****** মায়ের চরণে প্রণাম ******


আজ ভাদ্রমাসের শুভ কৌশীকী অমাবস্যা। বছরের অন্যান্য অমাবস্যা থেকে এই অমাবস্যাটি বহুগুণে বিশেষ মহিমাবান। কারণ?
হিন্দুশাস্ত্রে আছে, শ্রীহরির শয়ন ও উত্থান একাদশী। এই সময় হরির শয়নকাল চলছে, মহাবিষ্ণু নিদ্রিত। তাই এই সময়ে কুশ চয়ন সর্বতোভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু ভাদ্রমাসের এই অমাবস্যাটি কেবল একটিমাত্র তিথি, যেদিন কুশ চয়ন করলেও দোষ হয় না। সেইজন্য এই অমাবস্যাতিথিটির এত মাহাত্ম্য।
উপরন্তু, আজ তারাপীঠে ব্রহ্মময়ী মা তারার বিশেষ পূজানুষ্ঠান। বছরের এই দিনে তারাপীঠে তিলধারণের জায়গা থাকে না। সহস্র সহস্র ভক্ত দূরদূরান্তর হতে এসে মায়ের দর্শনলাভ মানসে সমবেত হন। জনশ্রুতি থেকে জানা যায়, আজকের তিথিতেই জগজ্জননী তারা স্বীয় পুত্র বামদেবকে দর্শন দিয়েছিলেন।
কথিত আছে, আজকের এই বিশেষ তিথিতেই শ্মশান জাগ্রত হয়। শ্মশান জাগ্রত হয় অর্থাৎ, শ্মশানভূমি কিছুক্ষণের জন্য জেগে ওঠে। বছরের এই একটি দিনেই নিস্তব্ধ, শান্ত, অচঞ্চল শ্মশানঘাটে প্রাণের স্পন্দন দেখা দেয়, মৃত্যুক্ষেত্র শ্মশানের শ্বাসপ্রশ্বাস কানে শোনা যায়। সে এক মহৎ উপব্ধির বিষয়, যা লেখনী দ্বারা ব্যক্ত করা অসম্ভব।





৩টি মন্তব্য:

  1. কলকাতা থেকে তারাপীঠ ২৬৪ কিমি পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের উত্তর দ্বারকা নদী প্রবাহিত তীরে অবস্থিত। তারাপীঠ কালীর আরেকটি ফর্ম এবং শিব তার বাম কোলে শুয়ে রয়েছে। এই তারাপীঠ সব হিন্দুদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। যেহেতু তিনি রক্তে সন্তুষ্ট থাকেন তাই এক দিন অন্তর রোজ সকালে ছাগল মন্দিরে বলি হয়। যারা দরিদ্র তাদের বিনামূল্যে খাবার বা প্রসাদ বিতরণ করা হয়। সৎ, ন্যায়পরায়ণ এবং উদার ভক্তরা গিয়ে ভক্তদের জন্য ত্রাণ বা প্রসাদের ব্যবস্থা করে। যারা মন প্রাণ দিয়ে মা তারার ভক্তি এবং পূজা করে থাকে মা তাদের ইচ্ছে পূরণের আশীর্বাদ দেন। যার জন্য প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্তরা পূজা ও প্রার্থনা করার জন্য এই স্থানে জড়ো হয়।

    উত্তরমুছুন