শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

শুভ মহালয়া ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬


“যা দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেন সংস্থিতা নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমস্তস্যৈ নমঃ নমঃ।“

সকলকে জানাই মহালয়ার শুভেচ্ছা।













শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বিশ্বকর্মা জয়ন্তী বা বিশ্বকর্মা পূজা ১৭th সেপ্টেম্বর ২০১৬

বিশ্বকর্মা পূজা সাধারণত কারখানা, ওয়ার্কশপ, গ্যারেজ বা দোকান যেখানে শ্রমিক, লোহালক্কর বা মেশিন দিয়ে কাজ করা হয় সেখানে পূজা করা হয়।  তিনি একজন হিন্দু দেবতা কৃষ্ণ শাসিত পাণ্ডবদের মায়া সভার পবিত্র শহর নির্মান করেছিলেন।  আবার দেবতাদের জন্য ভয়ানক ভয়ানক নিখুদ অস্ত্রশস্ত্রও নির্মাণ করতেন।
চাঁদ সওদাগরের পুত্র লক্ষিন্দরের বাসর ঘরটিও দেবতা বিশ্বকর্মার দ্বারা তৈরি হয়েছিল।




এই পুজোতে ছেলে মেয়েরা ঘুড়ি ওড়ায় এবং প্রচুর আনন্দ করে। আপনারাও বিশ্বকর্মা পুজোর ফলমূল ও খিচুড়ি প্রসাদ খেয়ে এবং বিকেলে ঘুড়ি উড়িয়ে প্রচুর প্রচুর আনন্দ করুন। এই দেবতার বিষয়ে ভালো কিছু জানা থাকলে অবশ্যই কিছু লিখুন বা কমেন্ট করুন। দেবতা বিশ্বকর্মা আপনাদের মঙ্গল করুন।

সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

গনেশ চতুর্থী ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৬



হাতির মাথা দ্বারা তৈরি  ঈশ্বর গণেশের জন্মদিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্য গণেশ চতুর্থী একটি দশ দিনের হিন্দু উৎসব হিসাবে পালিত হয়।  তিনি শিবের এবং দেবী পার্বতীর কনিষ্ঠ পুত্র। গণেশ ১০৮টা বিভিন্ন নামে পরিচিত। ভগবান গণেশকে হিন্দুদের ধর্মীও অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বরণ করা হয়।















Head of a statue of Ganesha


ভগবান গণেশ সমন্ধে কিছু লিখুন আর সবাইমিলে আনন্দের সাথে ভালো থাকুন।  গণপতি বাপ্পা সবার কল্যান করুন।

বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

জয় মা তাঁরা, জয় জয় মা তাঁরা



****** মায়ের চরণে প্রণাম ******


আজ ভাদ্রমাসের শুভ কৌশীকী অমাবস্যা। বছরের অন্যান্য অমাবস্যা থেকে এই অমাবস্যাটি বহুগুণে বিশেষ মহিমাবান। কারণ?
হিন্দুশাস্ত্রে আছে, শ্রীহরির শয়ন ও উত্থান একাদশী। এই সময় হরির শয়নকাল চলছে, মহাবিষ্ণু নিদ্রিত। তাই এই সময়ে কুশ চয়ন সর্বতোভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু ভাদ্রমাসের এই অমাবস্যাটি কেবল একটিমাত্র তিথি, যেদিন কুশ চয়ন করলেও দোষ হয় না। সেইজন্য এই অমাবস্যাতিথিটির এত মাহাত্ম্য।
উপরন্তু, আজ তারাপীঠে ব্রহ্মময়ী মা তারার বিশেষ পূজানুষ্ঠান। বছরের এই দিনে তারাপীঠে তিলধারণের জায়গা থাকে না। সহস্র সহস্র ভক্ত দূরদূরান্তর হতে এসে মায়ের দর্শনলাভ মানসে সমবেত হন। জনশ্রুতি থেকে জানা যায়, আজকের তিথিতেই জগজ্জননী তারা স্বীয় পুত্র বামদেবকে দর্শন দিয়েছিলেন।
কথিত আছে, আজকের এই বিশেষ তিথিতেই শ্মশান জাগ্রত হয়। শ্মশান জাগ্রত হয় অর্থাৎ, শ্মশানভূমি কিছুক্ষণের জন্য জেগে ওঠে। বছরের এই একটি দিনেই নিস্তব্ধ, শান্ত, অচঞ্চল শ্মশানঘাটে প্রাণের স্পন্দন দেখা দেয়, মৃত্যুক্ষেত্র শ্মশানের শ্বাসপ্রশ্বাস কানে শোনা যায়। সে এক মহৎ উপব্ধির বিষয়, যা লেখনী দ্বারা ব্যক্ত করা অসম্ভব।